Bay Leaf Powder (তেজপাতা গুড়া ) 100gm

Original price was: 80.00৳ .Current price is: 75.00৳ .

In stock

  • homepage-new-image-box-img-1
    Free Shipping
    For all orders over 2000৳
  • homepage-new-image-box-img-2
    1 & 1 Returns
    Cancellation after 1 day
  • homepage-new-image-box-img-3
    Secure Payment
    100% secure payments
Hotline Order:

01312-484964
01843-484964

Become a Vendor? Register now

তেজপাতা একটি সুগন্ধিযুক্ত ঔষধি পাতা। স্যুপ, পায়েস, পোলাও ও অন্যান্য সিদ্ধ জাতীয় খাবারে সুগন্ধ যোগ করতে এ পাতা ব্যবহার করা হয়। প্রাচীন গ্রীকে ঐতিহ্যগত ওষুধ তৈরিতে তেজপাতা ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। আসুন জেনে নেই এর ঔষধি গুণ সম্পর্কে।

হজমশক্তি উন্নত করে: তেজপাতার সবচেয়ে পরিচিত ঔষধি গুণ হল এটি হজমের সমস্যা সমাধানে সহায়ক। এতে থাকা ইউজেনল এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক তেল হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করে। তেজপাতা হজমে সহায়ক এনজাইমের নিঃসরণ বাড়িয়ে দেয়, যা খাবারের পুষ্টি সহজেই শোষণ করতে সাহায্য করে। বদহজম, পেট ফাঁপা, গ্যাস এবং পেটের ভারীভাব দূর করতে তেজপাতা বিশেষ ভূমিকা পালন করে। তেজপাতার মধ্যে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য পাকস্থলীর প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে এবং গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা নিরাময় করে। পেট ফাঁপার সমস্যা হলে কয়েকটি তেজপাতা পানিতে সিদ্ধ করে সেই পানি খেলে আরাম পাওয়া যায়। এছাড়াও তেজপাতা খাবারের সাথে যুক্ত করলে তা হজমশক্তি বৃদ্ধি করে এবং পাকস্থলীর কর্মক্ষমতা উন্নত করে।

চুলের বৃদ্ধি ও খুশকি তাড়ায়: খুশকি ও চুল পড়ে যাওয়া নিয়ে বিপাকে আছেন? চুলের যত্নে তেজপাতায় রয়েছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। কয়েকটি তেজপাতা গরম পানিতে সিদ্ধ করুন। কিছুক্ষণ ঠাণ্ডা হতে দিন। এবার এ পানি দিয়ে চুল ও স্কাল্প ধুয়ে ফেলুন। অবশ্যই শ্যাম্পু করার পর এটি করবেন। মাথার ত্বক চুলকাচ্ছে? তেজপাতা বেটে নারিকেল তেলের সঙ্গে মেশান। স্কাল্পে লাগিয়ে ৩০ মিনিট রেখে হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।

সংক্রমণ প্রতিরোধে সহায়ক: তেজপাতার মধ্যে থাকা অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টি-ফাঙ্গাল উপাদান সংক্রমণ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। এটি শরীরের অভ্যন্তরীণ সংক্রমণ যেমন শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ, ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন (UTI) এবং ত্বকের সংক্রমণ প্রতিরোধে কার্যকরী। তেজপাতার নির্যাস বা তেল ত্বকের ক্ষতস্থানে লাগালে তা দ্রুত শুকিয়ে যায় এবং ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ রোধ হয়। তেজপাতার মধ্যে থাকা প্রাকৃতিক উপাদানগুলো শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, যা বিভিন্ন ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ থেকে শরীরকে সুরক্ষিত রাখে। ঠান্ডা, সর্দি বা ফ্লু হলে তেজপাতার পানি খেলে বা ইনহেল করলে শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ দ্রুত কমে যায়।

গলা খুশখুশ ও কাঁশি: আপনি যদি ঠাণ্ডায় আক্রান্ত হন ও কাঁশির সমস্যায় ভোগেন তাহলে ব্যাকটেরিয়া তাড়াতে এটি আপনাকে চমৎকারভাবে সাহায্য করবে। ৪-৫টি তেজপাতা গরম পানিতে সিদ্ধ করুন। পানি কুসুম ঠাণ্ডা করে নিন। একটি পরিষ্কার কাপড় পানিতে ভিজিয়ে বুক মুছুন। কয়েকবার এটি করুন। আর খেয়াল রাখবেন পানি যেনো খুব বেশি গরম না হয়।

মাড়ির ক্ষত ও ব্যথা কমাতে: মাড়ির ক্ষত ও ব্যথা কমাতে তেজপাতা অত্যন্ত কার্যকর ও সহজলভ্য ঘরোয়া উপাদান। এর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে । তেজপাতা সেদ্ধ পানি দিয়ে কুলকুচি করা, অথবা গুঁড়ো করে দাঁতে ঘষলে মাড়ির ফোলা, ক্ষত, দাঁতের হলদে ভাব এবং মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়।  ২-৩টি তেজপাতা এক গ্লাস পানিতে ভালোভাবে সেদ্ধ করুন। পানি ঠান্ডা হলে বা সামান্য গরম অবস্থায় তাতে সামান্য লবণ মিশিয়ে দিনে ২-৩ বার গার্গল বা কুলকুচি করুন। এটি মাড়ির ক্ষত এবং ব্যথা কমাতে খুব কার্যকর।

কিডনির পাথরের চিকিৎসায়:একটি গবেষণা অনুযায়ী তেজপাতা শরীরে ইউরিয়ার পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে। শরীরে ইউরিয়ার পরিমাণ বেড়ে গেলে এটি কিডনির সমস্যা করে ও অন্যান্য গ্যাসের সমস্যা তৈরি করে।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে: তেজপাতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঔষধি গুণ হলো এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক। এতে থাকা পলিফেনল এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যৌগ ইনসুলিনের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে। টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য তেজপাতা নিয়মিত খেলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমতে পারে। তেজপাতার এই বৈশিষ্ট্য রক্তে ইনসুলিনের প্রতিক্রিয়া উন্নত করে এবং শর্করা শোষণের প্রক্রিয়াকে সঠিকভাবে পরিচালনা করে। এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য প্রাকৃতিক উপায়ে রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণের একটি শক্তিশালী উপাদান হিসেবে কাজ করে। তেজপাতা চা হিসেবে পান করা বা রান্নায় তেজপাতা যোগ করে খাওয়া ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের একটি কার্যকর পদ্ধতি।

হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখে: তেজপাতায় থাকা ক্যাফিক এসিড এবং রুটিন নামক যৌগ হার্টের সুস্থতার জন্য অত্যন্ত উপকারী। রুটিন রক্তনালীর দেয়ালগুলোকে শক্তিশালী করে এবং রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়াকে উন্নত করে, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এটি রক্তের ধমনীতে চর্বির জমা হওয়ার প্রবণতা কমায়, যা হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি হ্রাস করতে সহায়ক। ক্যাফিক এসিড রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) কমাতে সাহায্য করে এবং ভালো কোলেস্টেরলের (HDL) মাত্রা বাড়ায়, যা হার্টের স্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তেজপাতা নিয়মিত খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করলে রক্তচাপ স্থিতিশীল থাকে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমে যায়।

প্রদাহ বা ইনফ্লেমেশন কমায়: তেজপাতা প্রদাহ বা ইনফ্লেমেশন কমানোর জন্য আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এর অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য আর্থ্রাইটিস বা অন্যান্য প্রদাহজনিত রোগে উপশম প্রদান করতে সহায়ক। তেজপাতার মধ্যে থাকা পার্থেনোলাইড নামক যৌগ প্রদাহ কমাতে কাজ করে, যা বিশেষ করে জয়েন্টের ব্যথা ও ফোলাভাবের ক্ষেত্রে উপকারী। এছাড়া এটি সাধারণ শারীরিক ব্যথা বা পেশির টান কমাতেও কার্যকর। তেজপাতা গরম পানিতে ফুটিয়ে সেই পানি দিয়ে আক্রান্ত স্থানে সেঁক দিলে ব্যথা ও প্রদাহ দ্রুত কমে যায়।

Add your review

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Reviews

There are no reviews yet.

Shopping Cart 0

No products in the cart.